আসল কোয়ালিটি
ফাইল সরাসরি ইনস্টাগ্রামের সার্ভার থেকে আসে, তাই অ্যাপে যে রেজোলিউশন দেখেন সেটিই পান। নতুন করে কিছু এনকোড করা হয় না।
ছবি
একটি ছবি হোক বা ক্যারোসেলের সব স্লাইড, ইনস্টাগ্রামে যত বড় সাইজে আছে সেই সাইজেই সেভ করুন।
শুধু ছবি। ক্যারোসেলে ভিডিও স্লাইড থাকলে এই পেজে সেগুলো বাদ যায়।
তিনটি ধাপ, সময় লাগে সেকেন্ড দশেক।
পোস্টের শেয়ার আইকনে ট্যাপ করে Copy link বেছে নিন।
ছবি বের করুন বাটন চাপলে পোস্টের সব ছবি তালিকায় চলে আসবে।
প্রতিটি স্লাইডের আলাদা বাটন আছে, তাই যেগুলো দরকার শুধু সেগুলোই সেভ করুন।
ঝামেলা ছাড়া কাজ সারে, এমন একটি ডাউনলোডার।
ফাইল সরাসরি ইনস্টাগ্রামের সার্ভার থেকে আসে, তাই অ্যাপে যে রেজোলিউশন দেখেন সেটিই পান। নতুন করে কিছু এনকোড করা হয় না।
আপনাকে সাইন ইন করতে হয় না, আমরাও কখনো আপনার ইনস্টাগ্রাম পাসওয়ার্ড চাই না। পাবলিক লিংক পেস্ট করলেই হলো।
Android, iPhone, iPad, Windows, macOS ও Linux, সবার জন্য একই পেজ। কিছু ইনস্টল করতে হয় না।
একাধিক ছবির পোস্ট বা ছবি-ভিডিও মেশানো পোস্ট আলাদা আলাদা ফাইলে ভাগ হয়ে যায়, একটি একটি করে সেভ করতে পারেন।
লিংক থেকে ফাইল বের হতে লাগে এক-দুই সেকেন্ড, আর ডাউনলোড সরাসরি আপনার ব্রাউজারে স্ট্রিম হয়।
মিডিয়া বা আপনার লিংক আমরা রাখি না। খুঁজে আনা পোস্ট অল্প সময় ক্যাশে থাকে, তারপর মুছে যায়।
ইনস্টাগ্রামের ছবিতে চেপে ধরে রাখলে কিছুই হয় না, আর স্ক্রিনশট নিলে পাওয়া যায় কাটা পড়া, কম কোয়ালিটির একটা কপি, চারপাশে অ্যাপের বাটনসহ। এই Instagram ছবি ডাউনলোডার পোস্টের মিডিয়া তালিকা পড়ে এবং প্রতিটি JPG-র সরাসরি লিংক দেয়, ইনস্টাগ্রামে ছবিটি আসলে যে সাইজে রাখা আছে সেই সাইজে।
ক্যারোসেল পোস্টেও একই নিয়ম। প্রতিটি স্লাইড আলাদা ছবি হিসেবে দেখায়, সঙ্গে নিজস্ব বাটন। তাই একটা অ্যালবাম সেভ করতে দশবার সোয়াইপ করে স্ক্রিনশট নিতে হয় না।
প্রতিটি ছবি নিজের প্রিভিউ আর বাটনসহ দেখানো হয়, ক্রম অনুযায়ী নম্বর দেওয়া। দশ স্লাইডের পোস্ট মানে দশটি আলাদা ডাউনলোড।
ইনস্টাগ্রামে রাখা সবচেয়ে বড় ভার্সন, সাধারণত লম্বা দিকে 1080px। নতুন করে এনকোড হয় না, কোয়ালিটিও কমে না।
ফাইল ইনস্টাগ্রামের সার্ভার থেকে সরাসরি আপনার ব্রাউজারে স্ট্রিম হয়। আমাদের সার্ভারে কিছুই সেভ হয় না।
স্ক্রিনশট নয়, আসল ইমেজ ফাইলটিই পাবেন।
Safari-তে পোস্টের লিংক পেস্ট করুন, যে ছবিটি চান তার নিচের JPG ডাউনলোড বাটনে ট্যাপ করুন। ছবি সেভ হয় Files অ্যাপে। ফাইলটি খুলে Share-এ ট্যাপ করুন, তারপর Save Image বেছে নিলে ছবিটি ক্যামেরা রোলে যোগ হবে।
JPG ডাউনলোড বাটনে ট্যাপ করার পর ছবিটি Downloads ফোল্ডারে জমা হয় এবং সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারি বা Google Photos-এ দেখা যায়।
পোস্টের ঠিকানা পেস্ট করে JPG ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। ফুল সাইজ ছবিটি Downloads ফোল্ডারে সেভ হয়। এরপর খুলে দেখুন বা প্রিন্ট করুন।
প্রায়ই আসা প্রশ্নের ছোট উত্তর।
পোস্টের লিংক কপি করে এই পেজের উপরের বক্সে পেস্ট করুন, তারপর ছবি বের করুন বাটন চাপুন। পোস্টের প্রতিটি ছবি নিজস্ব JPG ডাউনলোড বাটনসহ দেখা যাবে।
হ্যাঁ। দশটি ছবির ক্যারোসেলে দশটি প্রিভিউ দেখায়, প্রতিটির সঙ্গে ডাউনলোড বাটন। সবগুলো সেভ করতে পারেন, আবার শুধু দরকারিগুলোও।
ইনস্টাগ্রাম যে সবচেয়ে বড় ভার্সন দেয় সেটি, সাধারণত লম্বা দিকে 1080 পিক্সেল। আপলোডের সময় ইনস্টাগ্রাম ছবি কম্প্রেস করে, তাই ফটোগ্রাফারের আসল ফাইল কোনোভাবেই ফিরে পাওয়া যায় না।
এই পেজ থেকে নয়। এখানে পোস্টের লিংক পেস্ট করুন। প্রোফাইল পিকচারের লিংক কোনো পোস্টের URL নয়।
হ্যাঁ। কোনো ফি নেই, দিনে ডাউনলোডের কোনো সীমা নেই, অ্যাকাউন্টও খুলতে হয় না।
না। সবকিছু আপনার ব্রাউজারেই চলে। আইফোনে ফাইল সেভ হয় Files অ্যাপ বা শেয়ার শিট দিয়ে, কোনটি হবে তা আপনার ব্রাউজারের ওপর নির্ভর করে।
না। শুধু পাবলিক প্রোফাইলের কনটেন্ট আনা যায়। প্রাইভেট পোস্ট প্রাইভেটই থাকে, আর সেটাই হওয়া উচিত।
আপনার ব্রাউজারের স্বাভাবিক ডাউনলোড ফোল্ডারে। অ্যান্ড্রয়েডে সাধারণত Downloads, iOS-এ Files › Downloads, আর কম্পিউটারে ব্রাউজারে যে ফোল্ডার সেট করা আছে সেখানে।
সাধারণ কারণগুলো হলো: অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট, পোস্ট ডিলিট হয়ে গেছে, পোস্টে বয়সের সীমা আছে, অথবা লিংকটি পোস্ট থেকে নয়, প্রিভিউ থেকে কপি করা। ইনস্টাগ্রামে পোস্টটি খুলুন, শেয়ার আইকনে ট্যাপ করে Copy link বেছে নিন।
শুধু ক্রিয়েটরের অনুমতি থাকলে। ভিডিও বা ছবিটি যিনি বানিয়েছেন, মালিক তিনিই। একটা কপি ডাউনলোড করলে কোনো স্বত্ব আপনার হয়ে যায় না।
একই ইঞ্জিন, প্রতিটি ধরনের পোস্টের জন্য আলাদা করে সাজানো।